১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ, তদন্ত কমিটি গঠন

 

লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের টিকিট বিক্রি, অ্যাম্বুলেন্স ও কেবিন ভাড়ার প্রায় ১৫ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সিভিল সার্জনসহ চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছে অডিটে আসা নিরীক্ষা বিভাগ।

ঢাকা থেকে আসা নিরীক্ষা বিভাগের অডিট টিমের কাছে এ দুর্নীতি প্রমাণিত হয়।

জানা গেছে, চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীদের কাছ থেকে নেয়া টিকিট বিক্রি, অ্যাম্বুলেন্স ও কেবিন ভাড়ার ১৪ লাখ টাকা ৯৯ হাজার ৬০০ টাকা অফিস সহকারী প্রধান মাহবুব আলম লিকু হাসতালের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার পরস্পর যোগসাজশে আত্মসাৎ করেন। এ জন্য বিভিন্ন সিল-স্বাক্ষর জাল করেন তারা।

নিরীক্ষা দল ১৮-এর এসএএস অধিক্ষক মো. আলাউদ্দিন এক চিঠিতে ওই অর্থ আত্মসাতের কথা উল্লেখ করেন এবং তা ফিরত দেয়ার নির্দেশ দিয়ে তৎকালীন সিভিল সার্জন (বর্তমানে ময়মনসিং জেলায় কর্মরত) ডা. মোস্তফা কামাল ও অফিস সহকারী প্রধান মাহবুব আলম লিকুসহ চারজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেন।

এ ছাড়া সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেয়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে হাসতালের সিনিয়র চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাককে প্রধান করে দুই সদস্যের একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়।

লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুরুজ্জামান আহম্মেদ জানান, অফিস সহকারী প্রধান মাহবুব আলম লিকুসহ যে কয়েকজন এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা অডিট টিমের কাছে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে দ্রুত দুদক আইনে মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।

Pin It

Comments are closed.