লালমনিরহাটে পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন করলেন চেয়ারম্যান স্বপন

জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না :: লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী গোকুন্ডা ও রাজপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ায় ওই এলাকা গুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

সরকারীভাবে পানি বন্দি এসব মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রান সামগ্রী না পাওয়ায় অতি কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন দুর্গোত এলাকার মানুষজন। এসব এলাকার পরিবারের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন লোকজন। পানির নিচে ডুবে সবজি ও মরিচ ক্ষেতসহ কয়েক হাজার হেক্টর জমির আমন ধান ক্ষেত বিনষ্ট হয়েছে।

দুর্গোত এলাকার লোকজনদের সাহাযার্থে গোকুন্ডা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা স্বপন ব্যক্তি উদ্যোগে ইউনিয়নের পানিবন্দি অসহায় পরিবারের মাঝে চাউল, চিড়া, গুড় ও নগদ অর্থ বিতরন করছেন।

তিনি বলেন, আমার ইউনিয়নে পানি বন্দি মানুষের সংখ্যা প্রায় ৫ হাজার। আর এই ইউনিয়নে ৪মেঃটন চাল ও মাত্র ২৫ হাজার নগদ টাকা দেয়া হয়েছে। যা খুবই সামান্য। তারপরেও আমি ব্যক্তিগত ভাবে চেষ্টা করছি দুর্গোত এলাকার মানুষকে চিড়া, গুড় ও কিছু নগদ অর্থ দেয়ার। যতদিন গোকুন্ডা ইউনিয়নের মানুষ পানি বন্দি থাকবে ততদিন দুর্গোত এলাকার মানুষকে ব্যাক্তিগত ভাবে তাদের সাহায্য করে যাবেন। কেননা তারাই তাকে ভোট দিয়ে এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, দুর্গোত এলাকা গুলোতে সরকারী ভাবে ত্রান সমগ্রী পৌছুতে হয়তো একটু দেরি হচ্ছে ঠিকই, এরপরেও এই ত্রান সামগ্রী গুলোও সঠিকভাবে বিতরন করা হচ্ছে বলে তিনি দাবী করেন। পানি বন্দি মানুষের পাশে সঠিক সময়ে দাড়ানোর জন্য তিনি গোকুন্ডা ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান।

লালমনিরহাট জেলা ত্রাণ ও পুনবাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার সুজা-উদ-দৌলা জানান, বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে সাহায্যের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ রয়েছে । এরপরও প্রয়োজন হলে আরও বরাদ্ধ নেয়া হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষনিক বন্যার্তদের খোজ খবর নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

Pin It

Comments are closed.