ভাগ্য বিড়ম্বিত এক দম্পতির স্বপ্ন

অনলাইন ডেস্ক: স্বপ্নটা সামান্যই। ছোট্ট একটি মুদির দোকান আর দু’টি দুধেল গাই। ভাগ্য বিড়ম্বিত এক দম্পতির স্বপ্ন। নব এ দম্পতির নাম জালাল হোসেন মুসুল্লী এবং খাদিজা আক্তার। বিয়ে করেছেন ছ’মাস আগে। আর সবার সাথে এই দম্পতির ভিন্নতা একটাই। বয়স বাড়লেও বাড়েনি তাদের উচ্চতা। এক দিকে শারীরিক প্রতিবন্ধীতা আরেক দিকে দারিদ্রের টানাপোড়েন। আশে পাশের কৌতুহলী মানুষের উপহাস বিদ্রুপ তো রয়েছেই।

২৭ বছরের জালাল হোসেনের উচ্চতা মাত্র সাড়ে তিন ফিট। আর ২৩ বছরের খাদিজা আক্তারের উচ্চতা একটু বেশী। নব এ দম্পতির বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের বতীপাড়া গ্রামে। পিতৃহীন দরিদ্র পরিবারের ছেলে জালাল। জন্ম থেকেই ভাগ্য বিড়ম্বিত তিনি। বিদ্রুপ আর হাসি ঠাট্টার মাঝেই বড় হতে হয়েছে তাকে। দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে মমতার আঁচলে তাকে আগলে রেখেছেন দরিদ্র মা তারা বানু। জমিজমা বলতে মাত্র দু’কাঠা জমিতে একচালা একটি টিনের ঘর।

২০১৬ সালের শুরুর দিকে তালতলীর গাবতলী গ্রামের আঃ খালেক খানের বড় মেয়ে খাদিজার সাথে বিয়ে হয় জালাল হোসেনের। শারীরিক খর্বাকৃতি নিয়ে যতটা না কষ্ট তাদের তার থেকেও অনেক বেশী কষ্ট আশেপাশের মানুষের বিরূপ আচরণে। একদিকে হাসি ঠাট্টা আর বিদ্রুপের বাণ অন্যদিকে অসহনীয় দারিদ্র। একটু ভাল থাকার আশায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন এই দম্পতি। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানাঃ মোঃ জালাল মুসুল্লী, সঞ্চয়ী হিসেব নং ২০১ ১২২ ০০০০০ ৩৬০৭, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, বরগুনা শাখা, বরগুনা। এছাড়া খাদিজার পিতা আঃ খালেক খানের পার্সোনাল মোবাইল এবং বিকাশ (০১৭৮১ ৬৯৭ ২৪৩) নম্বরেও সরাসরি সহযোগিতা পাঠানো যাবে।

সূত্র: কালেরকন্ঠ

Pin It

Comments are closed.