বিজিবি সদস্যের লাশ হস্তান্তর করলো বিএসএফ

জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না :: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার লাশ বিজিবি সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ।

বুধবার দুপুর ২টার দিকে লাশটি হস্তান্তর করা হয়। এসময় ভারতের অরুন ক্যাম্পের ১৩ বিএসএফের কোম্পানী কমান্ডার বিনোদ রাজা ছাড়াও বিজিবির রংপুর রিজিওয়ানাল কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম সাইফুল ইসলাম সাইফ, রংপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আবুল কালাম আযাদ, লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল গোলাম মোরশেদ, পাটগ্রাম থানার ওসি অবনী শংকর কর ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে বিজিবির একটি অ্যাম্বুলেন্স লাশটি নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দিকে রওনা দেয়। সেখানে ময়নতন্তের পর পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে. কর্নেল গোলাম মোরশেদ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ৩২ ঘণ্টা পর দহগ্রাম সীমান্তে তিস্তা নদীতে নিখোঁজ বিজিবি সদস্য ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার (৩০) লাশ উদ্ধার হয়। বুধবার সকাল সোয়া ১০টায় দহগ্রাম উপজেলার আবুলের চরের ঘটনাস্থল থেকে প্রায় চার কিলোমিটার ভাটি থেকে ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) তার লাশ উদ্ধার করে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প থেকে বিওপির চার জনের একটি টহল টিম মুন্সিপাড়া সীমান্ত এলাকায় তিস্তার ধারে যায়। ভারতীয় গরু পাচার হয়ে আসার সময় নদীতে পাচারকারীদের ধরতে গিয়ে ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া নিখোঁজ হন। পরে তাকে খুঁজতে ভারতের বিএসএফের সহযোগিতা চাওয়া হয়।

এরপর বিজিবির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু করে বিএসএফ। মঙ্গলবার সকালে বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরিরা সুমন মিয়াকে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

Pin It

Comments are closed.