কালীগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায়র ৬ষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত ধর্ষক মেহেদী হাসান বিপ্লব (১৮) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের উত্তর বত্রিশ হাজারী কুটিরপাড় নামক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। বিকালে অসুস্থ ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছে পুলিশ।

জানা যায়, ওই গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে মেহেদি হাসান বিপ্লব প্রতিবেশী এক মাদ্রাসা ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিপ্লব অপর একটি মাদ্রসার আলিম শাখার ছাত্র। এই অবস্থায় শুক্রবার রাতে মেয়েটি সুকৌশলে বাড়ি থেকে বেড় করে আনে বিপ্লব। পরে পরিবারের লোকজন সারা রাত খোঁজাখুজিঁ করেও মেয়েটির কোন হদিস পায়নি। শনিবার দুপুরে বাড়ির অদূরে এক মাদ্রাসার মাঠে খেলতে যায় গ্রামের কয়েকজন শিশু। সেখানে মাদ্রাসার একটি ঘরে বিপ্লবের সাথে মেয়েটিকে দেখতে পায় গ্রামের শিশুরা। এরপর তারা বাড়িতে খবর দিলে বিপ্লব পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি পরিবারের কাছে ধর্ষণের শিকারের কথা খুলে বলে। একপর্যায়ে মেয়েটি ছেলের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় চায়। কিন্তু বিপ্লবের পরিবারের লোকজন তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় বলে জানা গেছে।

মেয়েটি জানায়, বেশকিছুদিন আগে বিপ্লব তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকদিন ধর্ষণ করে তাকে। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে তাকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিয়ে করবে বলে বাড়ি থেকে ডেকে আনা হয়। এরপর পার্শ্ববর্তী এক মাদ্রাসা ঘরে নিয়ে গিয়ে রাতভর বিপ্লব তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ মেয়েটির।

মেয়েটির বাবা জানায়, আমার সহজ সরল মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিপ্লব তার সর্বনাশ করেছে। তাই বিপ্লবের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তিনি।

কালীগঞ্জ থানার (ওসি) আরজু মো. সাজ্জাত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মেয়েটির ডাক্তারী পরীক্ষাসহ আইনানুক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

Pin It

Comments are closed.