এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে থাকছে না কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী

অনলাইন ডেস্ক : আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী থাকবে না। ২০০৭ সালের পর এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যের পানি সীমায় কোনো মার্কিন রণতরী থাকবে না।

আগামী অন্তত দু’মাসের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের পানিসীমায় কোনো মার্কিন রণতরী পাঠানো পেন্টাগনের পক্ষে সম্ভব হবে না। পাশাপাশি বিশ্বের কোনো সাগরেই আর কোনো মার্কিন রণতরী তৎপর থাকবে না। মার্কিন নিউজ চ্যানেল ফক্স নিউজ এ খবর দিয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।

গত সাত মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন ছিল মার্কিন রণতরী ইউএসএস ডিউইট ডি আইসেনআওয়ারসহ একটি নৌবহর। কিন্তু এটাকে ভার্জিনিয়ার নোরফোক নৌঘাঁটিতে ফিরে আসার প্রয়োজন অনিবার্য হয়ে উঠেছে। ডিসেম্বরের ৩০ তারিখের মধ্যে এটার ফিরে আসার কথা ছিল। ফিরে আসার পর প্রয়োজনীয় মেরামতসহ রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শেষ হতে অন্তত ১৩ মাস লেগে যাবে। তবে এ সময়সীমা আরো বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

এর বদলে ইউএসএস এইচ.ডব্লিউ. বুশকে ওই এলাকার পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু বিমানবাহী রণতরীটিও অনিবার্য প্রয়োজনেই শিপইয়ার্ডে আটকা পড়ে আছে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ এটি হয়ত পরবর্তী মিশনের জন্য প্রস্তুত হতে পারবে। এতে ধারণা করা হচ্ছে যে অন্তত দুই মাস মধ্যপ্রাচ্যের সাগরে কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী থাকবে না। অবশ্য মার্কিন বিমানবাহী রণতরী না থাকলেও মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যান্য যুদ্ধজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের সাগরে টহল দেবে। পাশাপাশি হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধবিমানও থাকবে।

গত বছরের শরৎকালেও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। অবশ্য, তখন শূন্যতা পূরণের জন্য সেখানে ফরাসি বিমানবাহী রণতরী পাঠানো হয়েছিল।

এদিকে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম বিশ্বের কোনো সাগরেই মোতায়েন থাকবে না কোনো মার্কিন বিমানবাহী রণতরী। মার্কিন নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা এ জন্য পেন্টাগনের দুর্বল পরিকল্পনা, অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, তহবিল যোগানের ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম এবং বিমানবাহী রণতরীতে হঠাৎ সৃষ্ট জরুরি পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন।-আইআরআইবি

Pin It

Comments are closed.